ঢাকা টু জয়দেবপুর ট্রেনের সময়সূচী: আপনার সহজ ও নির্ভরযোগ্য ভ্রমণ সঙ্গী ২০২৬

Last Updated: May 29, 2026

ঢাকা থেকে জয়দেবপুর রুটে ট্রেন ভ্রমণ সাশ্রয়ী ও আরামদায়ক। বর্তমানে এই রুটে নিয়মিত বিরতিতে আন্তঃনগর, কমিউটার এবং মেইল/এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করে। যাত্রীরা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন অথবা ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে জয়দেবপুর জংশনের উদ্দেশে যাত্রা করতে পারেন। টিকিটের সময়সূচী বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিটিং ওয়েবসাইট অথবা রেল সেবা অ্যাপে পাওয়া যায়।

সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অসংখ্য ট্রেন এই রুটে চলাচল করে, যা প্রতিদিনের যাত্রী ও অফিসগামী মানুষের জন্য দারুণ সুবিধা নিয়ে আসে। আপনার যাত্রা শুরুর আগে শুধু সঠিক ট্রেনের সময় আর টিকিটের বিবরণ জেনে নেওয়া জরুরি। এটি আপনার ভ্রমণকে করে তুলবে আরও সহজ ও আনন্দময়।

সময়সূচী বোঝা: আপনার ট্রেনের সেরা পরিকল্পনা

ঢাকা থেকে জয়দেবপুর অথবা জয়দেবপুর থেকে ঢাকা রুটে প্রতিদিন অনেক ট্রেন চলাচল করে। সঠিক সময়সূচী জানা থাকলে আপনার যাত্রা পরিকল্পনা করা সহজ হয়। এতে আপনি সময় মতো স্টেশনে পৌঁছাতে পারেন এবং ট্রেন মিস করার দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পান।

ঢাকা টু জয়দেবপুর ট্রেনের সর্বশেষ সময়সূচী

ঢাকা (কমলাপুর বা বিমানবন্দর) থেকে জয়দেবপুর জংশনের উদ্দেশে যাত্রা করার জন্য বিভিন্ন আন্তঃনগর ও কমিউটার ট্রেন রয়েছে। নিচে ২০২৪ ও ২০২৫ সালের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী কিছু গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনের সময়সূচী দেওয়া হলো। মনে রাখবেন, ট্রেনের সময়সূচী পরিবর্তন হতে পারে, তাই ভ্রমণের আগে নিশ্চিত হয়ে নিন।

ঢাকা থেকে জয়দেবপুর রুটে সাধারণত এক থেকে দেড় ঘণ্টার মধ্যে যাত্রা সম্পন্ন হয়। আন্তঃনগর ট্রেনগুলো তুলনামূলক কম বিরতি দেয়, তাই দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছায়। অন্যদিকে, কমিউটার ট্রেনগুলো প্রায় সব স্টেশনে থামে।

ট্রেনের নাম ট্রেন নম্বর ছাড়ার সময় (ঢাকা) পৌঁছানোর সময় (জয়দেবপুর) সাপ্তাহিক ছুটি
নীলসাগর এক্সপ্রেস ৭৬৬ সকাল ৮:০০ সকাল ৯:১৯ রবিবার
একতা এক্সপ্রেস ৭০৫ সকাল ১০:০০ সকাল ১১:০৫ মঙ্গলবার
জয়দেবপুর কমিউটার সকাল ১০:৪৫ দুপুর ১২:০০ শুক্রবার
সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ৭৫৩ দুপুর ২:৪০ বিকাল ৩:৫০ রবিবার
জামালপুর কমিউটার ৫১ বিকাল ৩:৪০ বিকাল ৪:৪০ নেই
যমুনা এক্সপ্রেস ৭৪৫ বিকাল ৪:৪০ বিকাল ৫:৫৫ নেই
দেওয়ানগঞ্জ এক্সপ্রেস ৪৭ বিকাল ৫:৪০ সন্ধ্যা ৬:৪৮ নেই
চিত্রা এক্সপ্রেস ৭৬৩ সন্ধ্যা ৭:০০ রাত ৮:০০ সোমবার
লালমনি এক্সপ্রেস ৭৫১ রাত ১০:১০ রাত ১১:১৫ শুক্রবার
তুরাগ কমিউটার ১ N/A ভোর ৫:০০ সকাল ৬:০০ শুক্রবার
জয়দেবপুর কমিউটার N/A ভোর ৫:২৫ সকাল ৬:২৫ শনিবার

জয়দেবপুর টু ঢাকা ট্রেনের সর্বশেষ সময়সূচী

জয়দেবপুর জংশন থেকে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন অথবা ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনের উদ্দেশে নিয়মিত অনেক ট্রেন ছেড়ে যায়। নিচে ২০২৫ ও ২০২৪ সালের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী কিছু ট্রেনের সময়সূচী দেওয়া হলো। ভ্রমণের আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে অথবা ১৩১ নম্বরে কল করে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করে নেওয়া উচিত।

ট্রেনের নাম ট্রেন নম্বর ছাড়ার সময় (জয়দেবপুর) পৌঁছানোর সময় (ঢাকা) সাপ্তাহিক ছুটি
নীলসাগর এক্সপ্রেস ৭৬৬ সকাল ৬:০৫ সকাল ৭:১০ রবিবার
যমুনা এক্সপ্রেস ৭৪৬ সকাল ৬:২৪ সকাল ৭:৪০ নেই
একতা এক্সপ্রেস ৭০৬ সকাল ৭:০০ সকাল ৮:১০ সোমবার
তুরাগ এক্সপ্রেস সকাল ৭:৩০ সকাল ৮:৪৫ শুক্রবার
টাঙ্গাইল কমিউটার ১/২ সকাল ৮:২৮ সকাল ৯:৩০ শুক্রবার
ভাওয়াল এক্সপ্রেস ৫৬ সকাল ৯:৪২ সকাল ১১:৩৫ নেই
জামালপুর কমিউটার ৫২ সকাল ১০:১০ সকাল ১১:১৫ নেই
সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ৭৫৪ দুপুর ১২:৩০ দুপুর ১:৩০ রবিবার
হাওর এক্সপ্রেস ৭৭৮ দুপুর ১২:৫৩ দুপুর ২:১৫ বৃহস্পতিবার
দ্রুতযান এক্সপ্রেস ৭৫৮ বিকাল ৫:১০ বিকাল ৬:১০ বুধবার
পদ্মা এক্সপ্রেস ৭৬০ রাত ৮:৩৪ রাত ৯:৪০ মঙ্গলবার
তুরাগ কমিউটার N/A সকাল ৬:৩০ সকাল ৭:৪০ শুক্রবার
জয়দেবপুর কমিউটার N/A সকাল ৭:১০ সকাল ৮:২৫ শনিবার

ট্রেনের প্রকারভেদ ও সুবিধা

বাংলাদেশ রেলওয়ে বিভিন্ন ধরনের ট্রেন পরিচালনা করে, যা যাত্রীদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে। ঢাকা থেকে জয়দেবপুর রুটেও এমন বিভিন্ন ট্রেন চলাচল করে।

  • আন্তঃনগর ট্রেন: এই ট্রেনগুলো তুলনামূলকভাবে দ্রুত চলে এবং গন্তব্যে পৌঁছাতে কম সময় নেয়। এগুলোতে সাধারণত বাতানুকুল (এসি) ও শোভন চেয়ারের মতো উন্নত আসনের ব্যবস্থা থাকে। খাবারের বগিও থাকতে পারে।
  • মেইল/এক্সপ্রেস ট্রেন: এই ট্রেনগুলো আন্তঃনগর ট্রেনের চেয়ে বেশি স্টেশনে থামে। টিকিটের দাম সাধারণত কম হয় এবং এগুলোতে শোভন বা সাধারণ আসনের ব্যবস্থা থাকে।
  • কমিউটার ট্রেন: কমিউটার ট্রেনগুলো মূলত স্বল্প দূরত্বের যাত্রীদের জন্য। এগুলি প্রায় সব স্থানীয় স্টেশনে থামে। এই ট্রেনগুলো সাধারণত প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে চলাচল করে এবং প্রতিদিনের অফিসগামী যাত্রীদের জন্য সুবিধাজনক।

বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্ব জোনের বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক এ বি এম কামরুজ্জামান বলেন, “যাত্রীদের সুবিধা নিশ্চিত করতে আমরা নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছি। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে রেল সেবাকে আরও গতিশীল করা হচ্ছে।”

টিকিট কেনার সহজ উপায়: আপনার ভ্রমণকে করুন ঝামেলামুক্ত

ঢাকা থেকে জয়দেবপুর যাওয়ার জন্য টিকিট কেনা এখন অনেক সহজ। আপনি স্টেশন কাউন্টার থেকে সরাসরি টিকিট কিনতে পারেন অথবা ঘরে বসেই অনলাইনে টিকিট বুক করতে পারেন। আপনার সুবিধার জন্য এখানে দুটি পদ্ধতি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো।

স্টেশন কাউন্টার থেকে টিকিট ক্রয়

ট্রেন ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত উপায় হলো সরাসরি রেলওয়ে স্টেশন থেকে টিকিট কেনা। ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন অথবা ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন থেকে আপনি জয়দেবপুরের টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। জয়দেবপুর জংশনেও টিকিট কাউন্টার আছে। কাউন্টারে টিকিট কেনার সময় কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি:

  • যাত্রার তারিখের কয়েক দিন আগে টিকিট কিনলে পছন্দের আসন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
  • ছুটির দিনে বা উৎসবের সময় আগেভাগে টিকিট কেটে রাখুন, কারণ তখন ভিড় বেশি থাকে।
  • সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কাউন্টারে টিকিট বিক্রি হয়।

অনলাইনে টিকিট বুকিং

বর্তমানে ঘরে বসে ট্রেনের টিকিট কাটা খুবই সহজ। বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ই-টিকিটিং ওয়েবসাইট অথবা রেল সেবা অ্যাপ ব্যবহার করে আপনি আপনার টিকিট বুক করতে পারেন। এটি সময় বাঁচায় এবং লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা এড়ায়।

বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিটিং ওয়েবসাইট (eticket.railway.gov.bd) এবং ‘রেল সেবা’ অ্যাপ ব্যবহার করে যাত্রীরা সহজেই ঢাকা থেকে জয়দেবপুরের ট্রেনের টিকিট কিনতে পারেন। এখানে ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড এবং মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে পেমেন্ট করা যায়।

অনলাইন টিকিট কেনার ধাপসমূহ

অনলাইনে টিকিট কেনার প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ। এখানে ধাপে ধাপে দেখানো হলো কিভাবে আপনি আপনার টিকিট বুক করতে পারবেন:

  1. রেজিস্ট্রেশন করুন: প্রথমে eticket.railway.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন। আপনার সম্পূর্ণ নাম, ই-মেইল, মোবাইল নম্বর, পাসওয়ার্ড এবং জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম নিবন্ধন নম্বর দিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। একটি ভেরিফিকেশন কোড আপনার মোবাইল নম্বরে পাঠানো হবে, যা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে হয়।

  2. লগইন করুন:
    রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হলে আপনার মোবাইল নম্বর এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।
  3. ট্রেন খুঁজুন: আপনার যাত্রা শুরুর স্টেশন (ঢাকা/ঢাকা বিমানবন্দর), গন্তব্য স্টেশন (জয়দেবপুর), যাত্রার তারিখ এবং টিকিটের শ্রেণি নির্বাচন করে “Search Train” বাটনে ক্লিক করুন।
  4. আসন নির্বাচন করুন: আপনার পছন্দের ট্রেনটি নিশ্চিত হওয়ার পর “Book Now” বাটনে ক্লিক করুন। একজন যাত্রী একসাথে সর্বোচ্চ ৪টি টিকিট কিনতে পারবেন। এরপর পছন্দের আসন নির্বাচন করে “Continue Purchase” বাটনে ক্লিক করুন।
  5. মূল্য পরিশোধ: টিকিটের মোট মূল্য (ভ্যাট ও সার্ভিস চার্জ সহ) দেখতে পাবেন। এরপর আপনার সুবিধামত মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ, রকেট, নগদ ইত্যাদি) অথবা ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করুন।
  6. টিকিট ডাউনলোড: সফলভাবে পেমেন্ট করার পর আপনার টিকিটটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডাউনলোড হয়ে যাবে। আপনি এটি প্রিন্ট করে অথবা মোবাইলে সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন।

মাসিক টিকিট সুবিধা

যারা ঢাকা এবং জয়দেবপুরের মধ্যে নিয়মিত যাতায়াত করেন, তাদের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে মাসিক টিকিট কেনার সুবিধা চালু করেছে। মাসিক টিকিটের মূল্য ১৫০০ টাকা। এই টিকিট নিয়ে আপনি ঢাকা-জয়দেবপুর-ঢাকা রুটে প্রতিদিন দুইবার সরকারি ব্যবস্থাপনায় চলাচলকারী সকল আন্তঃনগর, লোকাল, মেইল ও এক্সপ্রেস ট্রেনে ভ্রমণ করতে পারবেন।

তবে, এই মাসিক টিকিট বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত কমিউটার ট্রেন (যেমন বলাকা, জামালপুর, দেওয়ানগঞ্জ, মহুয়া, রাজশাহী/ঢাকা কমিউটার, কর্ণফুলী, তিতাস) এবং আন্তঃনগর বনলতা, সোনার বাংলা ও সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেনে ব্যবহার করা যাবে না। এটি কোনো আসনযুক্ত টিকিট নয়, নন-এসি শ্রেণির (শোভন/শোভন চেয়ার) ভ্রমণের জন্য প্রযোজ্য।

মাসিক টিকিট পেতে প্রথম মাসে আপনাকে জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম নিবন্ধন, পাসপোর্ট সাইজের দুই কপি ছবি এবং ঢাকা স্টেশন মাস্টার বরাবর লিখিত আবেদন জমা দিতে হবে। এর সাথে ২০ টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে হয়। প্রতি মাসের ১ থেকে ৫ তারিখের মধ্যে এই টিকিট কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ১৩ নম্বর কাউন্টার থেকে সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সংগ্রহ করা যাবে। জয়দেবপুর স্টেশন থেকেও মাসিক টিকিট পাওয়া যায়।

নির্বিঘ্ন ভ্রমণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ টিপস

ঢাকা থেকে জয়দেবপুর ট্রেন ভ্রমণ একটি উপভোগ্য অভিজ্ঞতা হতে পারে, যদি আপনি কিছু বিষয় আগে থেকে জেনে রাখেন। আপনার যাত্রা আরও মসৃণ করতে এখানে কিছু ব্যবহারিক টিপস দেওয়া হলো।

সঠিক সময়ে স্টেশনে পৌঁছানো

ট্রেন ছাড়ার কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছানো উচিত। এতে আপনি টিকিট খুঁজে বের করা, প্ল্যাটফর্ম খুঁজে পাওয়া এবং আসনে বসার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাবেন। বিশেষ করে উৎসবের সময় বা ছুটির দিনে স্টেশনে ভিড় বেশি থাকে, তাই আরও আগে পৌঁছানো ভালো।

মালামাল ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা

আপনার মালামালের প্রতি খেয়াল রাখুন। মূল্যবান জিনিসপত্র সবসময় নিজের কাছে রাখুন। অযাচিত ঝামেলা এড়াতে অতিরিক্ত লাগেজ বহন করা থেকে বিরত থাকুন। স্টেশনে বা ট্রেনে অচেনা কারো কাছ থেকে খাবার গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকুন এবং সতর্ক থাকুন।

ট্রেনের অবস্থান ও বিলম্বের তথ্য

অনেক সময় ট্রেন দেরি করে চলতে পারে। যাত্রার আগে ট্রেনের সর্বশেষ অবস্থান এবং বিলম্বের তথ্য জানতে বাংলাদেশ রেলওয়ের ১৩১ হেল্পলাইন নম্বরে কল করতে পারেন। এছাড়া, বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা রেল সেবা অ্যাপ থেকেও আপনি ট্রেনের বর্তমান অবস্থা জানতে পারবেন।

বাংলাদেশ রেলওয়ে যাত্রীসেবা বাড়াতে এই ১৩১ কল সেন্টার চালু করেছে। যেকোনো মোবাইল নম্বর থেকে এই নম্বরে কল করে রেল সংক্রান্ত তথ্য, সেবা ও সহায়তা পাওয়া যায়। এটি যাত্রী সেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

শেষ কথা

ঢাকা থেকে জয়দেবপুর রুটে ট্রেন ভ্রমণ সাশ্রয়ী, সুবিধাজনক এবং পরিবেশবান্ধব। সঠিক সময়সূচী জেনে, সময়মতো টিকিট কেটে এবং কিছু সাধারণ টিপস মেনে চললে আপনার যাত্রা হবে আনন্দময়। বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রতিনিয়ত তাদের সেবার মান উন্নত করার চেষ্টা করছে, যাতে দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য রেল ভ্রমণ আরও আরামদায়ক হয়। ভ্রমণের আগে সর্বশেষ তথ্য জানতে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (railway.gov.bd) অথবা ১৩১ হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করুন।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

ঢাকা থেকে জয়দেবপুর যেতে কত সময় লাগে?

ঢাকা থেকে জয়দেবপুর ট্রেনে যেতে সাধারণত প্রায় ১ ঘণ্টা সময় লাগে। এটি ট্রেনের ধরন (আন্তঃনগর বা কমিউটার) এবং স্টপেজের উপর নির্ভর করে কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।

ঢাকা টু জয়দেবপুর ট্রেনের টিকিটের দাম কত?

ঢাকা থেকে জয়দেবপুর ট্রেনের টিকিটের দাম ট্রেনের শ্রেণি এবং আসনের ধরনের উপর নির্ভর করে। তবে, এই রুটে মাসিক টিকিটের ব্যবস্থা আছে, যার মূল্য ১৫০০ টাকা

অনলাইনে কি টিকিট পরিবর্তন করা যায়?

সাধারণত, একবার অনলাইনে টিকিট বুকিং হয়ে গেলে তা পরিবর্তন করার সরাসরি কোনো অপশন থাকে না। তবে, বিশেষ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের হেল্পলাইন নম্বর কোনটি?

বাংলাদেশ রেলওয়ের হেল্পলাইন নম্বর হলো ১৩১। এই নম্বরে কল করে আপনি ট্রেন সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য, সময়সূচী, টিকিটের অবস্থা এবং অন্যান্য সহায়তা পেতে পারেন।

মাসিক টিকিট কি সব ট্রেনে ব্যবহার করা যায়?

না, মাসিক টিকিট সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত সকল আন্তঃনগর, লোকাল, মেইল ও এক্সপ্রেস ট্রেনে ব্যবহার করা যায়। তবে বেসরকারি কমিউটার ট্রেন এবং কিছু নির্দিষ্ট আন্তঃনগর ট্রেনে এটি ব্যবহার করা যায় না।


Hi, I’m Shohag, creator of bdtrains.xyz. I make Bangladeshi train schedules and fares easy to find and understand by verifying official sources and updating information regularly. I also share practical travel tips from my own experience, so you get clear, accurate, and reliable train info every time.

Sharing Is Caring:

Leave a Comment