কমলাপুর স্টেশন থেকে সিলেটের কোন কোন ট্রেন ছাড়ে? সময়সূচী ও টিকিট কেনার বিস্তারিত গাইড

Last Updated: July 27, 2026

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে সিলেট রুটে মোট চারটি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে: পারাবত এক্সপ্রেস, জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস, উপবন এক্সপ্রেস এবং কালনী এক্সপ্রেস। এই ট্রেনগুলোর সময়সূচী ভিন্ন, এবং প্রতিটি ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটিও আলাদা। যাত্রীরা অনলাইন এবং অফলাইন উভয় মাধ্যমেই সিলেট রুটের টিকিট সংগ্রহ করতে পারেন, যেখানে টিকেটের শ্রেণীভেদে ভাড়াও ভিন্ন হয়।

সিলেটের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে এবং ধর্মীয় স্থানগুলো পরিদর্শনের জন্য ট্রেন ভ্রমণ একটি জনপ্রিয় এবং আরামদায়ক উপায়। সঠিক তথ্য থাকলে আপনার ভ্রমণ পরিকল্পনা সহজ হবে। এই বিস্তৃত নির্দেশিকা আপনাকে কমলাপুর থেকে সিলেটগামী ট্রেনের সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করবে, যা আপনার যাত্রাকে আরও মসৃণ করবে।

সিলেটগামী আন্তঃনগর ট্রেনসমূহের তালিকা

কমলাপুর স্টেশন থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে নিয়মিত চলাচলকারী চারটি আন্তঃনগর ট্রেন হলো পারাবত এক্সপ্রেস, জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস, উপবন এক্সপ্রেস এবং কালনী এক্সপ্রেস। প্রতিটি ট্রেন নির্দিষ্ট দিনে যাত্রা করে এবং বিশ্রামবারে চলাচল বন্ধ রাখে।

এই ট্রেনগুলো যাত্রীদের বিভিন্ন শ্রেণীর আসন সরবরাহ করে, যা ভ্রমণকে আরামদায়ক করে তোলে। সঠিক ট্রেন বেছে নিতে চাইলে আপনার ভ্রমণের দিন এবং পছন্দসই সময় বিবেচনা করতে পারেন।

ট্রেনের নাম ও সাপ্তাহিক ছুটি

সিলেটগামী প্রতিটি ট্রেনের একটি নির্দিষ্ট সাপ্তাহিক বন্ধের দিন রয়েছে। এই বিষয়টি টিকিট কেনার আগে জানা জরুরি।

  • পারাবত এক্সপ্রেস (৭০৯/৭০৯): মঙ্গলবার বন্ধ থাকে।
  • জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস (৭১৭/৭১৮): বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকে।
  • উপবন এক্সপ্রেস (৭১৯/৭২০): বুধবার বন্ধ থাকে।
  • কালনী এক্সপ্রেস (৭৭৩/৭৭৪): শুক্রবার বন্ধ থাকে।

সিলেটগামী ট্রেনের সময়সূচী

কমলাপুর থেকে সিলেটগামী প্রতিটি ট্রেনের নির্দিষ্ট সময়সূচী রয়েছে। সঠিক সময়ে স্টেশনে পৌঁছানোর জন্য সময়সূচী জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এখানে প্রতিটি ট্রেনের ঢাকা থেকে ছাড়ার সময় এবং সিলেটে পৌঁছানোর আনুমানিক সময় উল্লেখ করা হলো। তবে, রেলওয়ের সময়সূচী মাঝে মাঝে পরিবর্তিত হতে পারে, তাই ভ্রমণের আগে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করা বুদ্ধিমানের কাজ।

ট্রেনের নাম ট্রেন নম্বর কমলাপুর থেকে ছাড়ার সময় সিলেট পৌঁছানোর আনুমানিক সময় সাপ্তাহিক ছুটি
পারাবত এক্সপ্রেস ৭০৯ সকাল ৬:২০ দুপুর ১:২০ মঙ্গলবার
জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস ৭১৭ দুপুর ১২:০০ সন্ধ্যা ৭:৩০ বৃহস্পতিবার
উপবন এক্সপ্রেস ৭১৯ রাত ৮:৩০ ভোর ৪:৪০ বুধবার
কালনী এক্সপ্রেস ৭৭৩ বিকাল ৪:০০ রাত ১১:১৫ শুক্রবার

উল্লেখ্য, উল্লিখিত সময়গুলো আনুমানিক। যাত্রার পূর্বে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে অথবা স্টেশন থেকে সর্বশেষ সময়সূচী জেনে নেওয়া অত্যাবশ্যক

টিকিটের প্রকার ও শ্রেণী

সিলেট রুটে বিভিন্ন ধরণের টিকিট এবং আসন শ্রেণী রয়েছে, যা যাত্রীদের বাজেট ও পছন্দ অনুযায়ী ভ্রমণের সুযোগ দেয়। প্রতিটি শ্রেণীর নিজস্ব সুবিধা রয়েছে।

আপনি আপনার আরাম এবং সামর্থ্য অনুযায়ী টিকিট বেছে নিতে পারেন। প্রতিটি শ্রেণীর ভাড়া আলাদা হয় এবং বিলাসবহুল সুবিধা অনুসারে ভাড়া বৃদ্ধি পায়।

বিভিন্ন আসন শ্রেণী

কমলাপুর-সিলেট রুটে প্রধানত নিম্নলিখিত আসন শ্রেণীগুলো উপলব্ধ:

  • শোভন (Shobhon): এটি সবচেয়ে সাশ্রয়ী শ্রেণী।
  • শোভন চেয়ার (Shobhon Chair): শোভন শ্রেণীর চেয়ে কিছুটা বেশি আরামদায়ক।
  • প্রথম শ্রেণী (First Class): অধিক আরামদায়ক আসন ব্যবস্থা।
  • স্নিগ্ধা (Snigdha): শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত চেয়ার কোচ, বেশ আরামদায়ক।
  • এসি সিট (AC Seat): শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আসন।
  • এসি বার্থ (AC Berth): শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্লিপিং বার্থ, যা রাতের যাত্রার জন্য উপযুক্ত।

টিকিট কেনার বিস্তারিত প্রক্রিয়া

কমলাপুর থেকে সিলেটগামী ট্রেনের টিকিট কেনা এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ। যাত্রীরা অনলাইন এবং অফলাইন উভয় মাধ্যমেই টিকিট সংগ্রহ করতে পারেন। অনলাইন পদ্ধতি সময় সাশ্রয়ী এবং সুবিধাজনক, যেখানে অফলাইন পদ্ধতি তাদের জন্য ভালো যারা সরাসরি কাউন্টার থেকে টিকিট কিনতে পছন্দ করেন।

উভয় পদ্ধতিরই নিজস্ব সুবিধা রয়েছে। আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী টিকিট কেনার পদ্ধতি বেছে নিতে পারেন।

অনলাইনে টিকিট কেনার নিয়মাবলী

অনলাইনে টিকিট কেনার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করা যায়। এই পদ্ধতিটি ঘরে বসেই টিকিট নিশ্চিত করার সুযোগ দেয়।

অনলাইনে টিকিট কেনার জন্য ধাপে ধাপে প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। এই প্রক্রিয়াটি সাধারণত নিরাপদ এবং ঝামেলামুক্ত হয়।

  1. রেজিস্ট্রেশন করুন: প্রথমে বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিটিং ওয়েবসাইটে (eticket.railway.gov.bd) অথবা “Rail Sheba” অ্যাপে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। এর জন্য আপনার মোবাইল নম্বর এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর প্রয়োজন হবে।
  2. লগইন করুন: সফলভাবে রেজিস্ট্রেশন করার পর আপনার ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন।
  3. যাত্রা পরিকল্পনা করুন: আপনার যাত্রা শুরুর স্টেশন (কমলাপুর), গন্তব্য স্টেশন (সিলেট), যাত্রার তারিখ, এবং আসন শ্রেণী নির্বাচন করুন।
  4. ট্রেন নির্বাচন করুন: উপলব্ধ ট্রেনগুলো থেকে আপনার পছন্দের ট্রেন এবং আসন সংখ্যা নির্বাচন করুন।
  5. আসন নির্বাচন করুন: কোচের ম্যাপ থেকে আপনার পছন্দের আসনগুলো বেছে নিন।
  6. পেমেন্ট করুন: ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, মোবাইল ব্যাংকিং (যেমন বিকাশ, রকেট, নগদ) ব্যবহার করে টিকিটের মূল্য পরিশোধ করুন।
  7. টিকিট ডাউনলোড করুন: পেমেন্ট সম্পন্ন হওয়ার পর আপনার টিকিটটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিন অথবা মোবাইলে সংরক্ষণ করুন।

বাংলাদেশ রেলওয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনাব আহসান হাবিব বলেন, “আমাদের অনলাইন টিকিটিং ব্যবস্থা যাত্রীদের সময় বাঁচাতে এবং স্টেশনে ভিড় কমাতে অত্যন্ত সহায়ক হয়েছে।”

অফলাইনে টিকিট কেনার নিয়মাবলী

যারা অনলাইনে টিকিট কিনতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না, তাদের জন্য অফলাইন পদ্ধতি এখনও কার্যকর। স্টেশন কাউন্টার থেকে সরাসরি টিকিট কেনা যায়।

অফলাইনে টিকিট কেনার জন্য আপনাকে স্টেশনে উপস্থিত হতে হবে। এই পদ্ধতি তাদের জন্য সুবিধাজনক যারা নগদ অর্থ পরিশোধ করতে চান বা সরাসরি কর্মীদের সাথে কথা বলে টিকিট নিশ্চিত করতে পছন্দ করেন।

  1. স্টেশনে যান: কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে টিকিট কাউন্টারে যান।
  2. তথ্য দিন: কাউন্টারে আপনার গন্তব্য (সিলেট), যাত্রার তারিখ, ট্রেনের নাম, এবং আসন শ্রেণীর তথ্য দিন।
  3. এনআইডি দেখান: টিকিট কেনার জন্য আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) দেখাতে হতে পারে।
  4. টিকিট সংগ্রহ করুন: টিকিটের মূল্য পরিশোধ করে আপনার টিকিট সংগ্রহ করুন।

সফরের অন্তত কয়েকদিন আগে টিকিট সংগ্রহ করা বুদ্ধিমানের কাজ, বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে বা উৎসবের মৌসুমে।

কমলাপুর থেকে সিলেট রুটের ট্রেনের ভাড়া

সিলেটগামী ট্রেনের ভাড়া আসন শ্রেণী এবং ট্রেনের ধরন অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। বিভিন্ন শ্রেণীর জন্য বিভিন্ন ভাড়া নির্ধারিত আছে।

আপনার বাজেট এবং আরামের কথা মাথায় রেখে আপনি সঠিক শ্রেণী নির্বাচন করতে পারেন। এখানে একটি আনুমানিক ভাড়ার তালিকা দেওয়া হলো, তবে সর্বশেষ ভাড়ার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট বা স্টেশন কাউন্টারে যোগাযোগ করা উচিত।

আসন শ্রেণী আনুমানিক ভাড়া (টাকায়)
শোভন ৩২০ – ৩৫০
শোভন চেয়ার ৩৭৫ – ৪১০
প্রথম শ্রেণী ৪৯০ – ৫৪০
স্নিগ্ধা ৬৫৫ – ৭১০
এসি সিট ৭৯০ – ৮৬০
এসি বার্থ ১১৯০ – ১৩০০

উপরে উল্লিখিত ভাড়াগুলো আনুমানিক এবং পরিবর্তনশীল। বর্তমান বছরের (২০২৬) ভাড়া যাচাই করার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ভিজিট করা প্রয়োজন।

সিলেট ভ্রমণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ টিপস

সিলেট ভ্রমণ একটি আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা হতে পারে, বিশেষ করে যদি আপনি কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখেন। আপনার যাত্রা মসৃণ এবং নিরাপদ করতে এই টিপসগুলো অনুসরণ করুন।

পরিকল্পনা মাফিক চললে এবং কিছু সতর্কতা অবলম্বন করলে আপনার সিলেট ভ্রমণ আরও স্মরণীয় হবে।

  • অগ্রিম টিকিট কিনুন: বিশেষ করে উৎসবের সময় বা ছুটির দিনে টিকিট পেতে সমস্যা হতে পারে। তাই ভ্রমণের কয়েকদিন আগে টিকিট কিনে রাখা ভালো।
  • সময়সূচী যাচাই করুন: যাত্রা করার আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট বা অ্যাপ থেকে ট্রেনের সর্বশেষ সময়সূচী এবং বিলম্ব সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করে নিন।
  • পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখুন: টিকিট কেনার সময় এবং ট্রেনে ভ্রমণের সময় আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা অন্য কোনো বৈধ পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখুন।
  • স্টেশনে আগে পৌঁছান: ট্রেন ছাড়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছান যাতে কোনো তাড়াহুড়ো না হয়।
  • লটবহর সাবধানে রাখুন: আপনার ব্যাগ এবং অন্যান্য জিনিসপত্র সাবধানে রাখুন। অপরিচিত কারো কাছ থেকে কিছু গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকুন।
  • সিলেটে ভ্রমণের পরিকল্পনা: সিলেট পৌঁছে কোথায় থাকবেন, কীভাবে ঘুরবেন তার একটি প্রাথমিক পরিকল্পনা করে রাখুন।

পর্যটন বিশেষজ্ঞরা সিলেটের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও আধ্যাত্মিক পরিবেশের প্রশংসা করেন। ড. ফাহমিদা হক, একজন ভ্রমণ গবেষক, উল্লেখ করেন, “সিলেট তার চা বাগান, জাফলং, বিছনাকান্দি এবং হজরত শাহজালাল (রহ.) ও শাহপরান (রহ.)-এর মাজারের জন্য সারা দেশ থেকে পর্যটকদের আকর্ষণ করে। ট্রেন ভ্রমণ এই স্থানগুলো পরিদর্শনের জন্য একটি চমৎকার বিকল্প।”

FAQ (প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী)

কমলাপুর থেকে সিলেট যেতে কত সময় লাগে?

কমলাপুর থেকে সিলেটে পৌঁছাতে সাধারণত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় লাগে। এটি ট্রেনের ধরন, গতি এবং পথে বিরতির উপর নির্ভর করে।

সিলেটগামী ট্রেনে খাবার পাওয়া যায় কি?

হ্যাঁ, আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতে সাধারণত খাবার ও পানীয়ের ব্যবস্থা থাকে। আপনি অতিরিক্ত মূল্যে বিভিন্ন ধরণের খাবার কিনতে পারবেন।

অনলাইনে টিকিট কেনার জন্য কি NID আবশ্যক?

হ্যাঁ, বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকিটিং ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন এবং টিকিট কেনার জন্য আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর ব্যবহার করা আবশ্যক।

কমলাপুর থেকে সিলেটগামী ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটির দিন কি?

প্রতিটি সিলেটগামী ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটির দিন আলাদা। যেমন, পারাবত এক্সপ্রেস মঙ্গলবার, জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস বৃহস্পতিবার, উপবন এক্সপ্রেস বুধবার এবং কালনী এক্সপ্রেস শুক্রবার বন্ধ থাকে।

ট্রেন টিকিট কি অগ্রিম কেনা যায়?

হ্যাঁ, বাংলাদেশ রেলওয়ের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত ৫ দিন আগে থেকে অগ্রিম টিকিট কেনা যায়। তবে বিশেষ পরিস্থিতি বা উৎসবের সময় এই নিয়ম পরিবর্তিত হতে পারে।

উপসংহার

কমলাপুর স্টেশন থেকে সিলেট রুটে ট্রেন ভ্রমণ বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় একটি রুট। পারাবত এক্সপ্রেস, জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস, উপবন এক্সপ্রেস এবং কালনী এক্সপ্রেসের মতো চারটি আন্তঃনগর ট্রেন এই রুটে নিয়মিত চলাচল করে। অনলাইন এবং অফলাইন উভয় মাধ্যমেই টিকিট কেনার সুবিধা থাকায় যাত্রীরা সহজেই তাদের পছন্দসই উপায়ে টিকিট সংগ্রহ করতে পারেন।

এই বিস্তারিত গাইডটি আপনাকে সিলেটের ট্রেন যাত্রা সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য দিয়েছে। আপনার পছন্দের ট্রেন, সময়সূচী, এবং টিকিটের ধরন বেছে নিয়ে একটি নিরাপদ ও আনন্দদায়ক ভ্রমণ করুন। সিলেট তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং আধ্যাত্মিক পরিবেশ দিয়ে আপনাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত।

Hi, I’m Shohag, creator of bdtrains.xyz. I make Bangladeshi train schedules and fares easy to find and understand by verifying official sources and updating information regularly. I also share practical travel tips from my own experience, so you get clear, accurate, and reliable train info every time.

Sharing Is Caring:

Leave a Comment