ঢাকা টু গাজীপুর ট্রেন শিডিউল ২০২৬: আপনার সম্পূর্ণ ভ্রমণ সহায়িকা

Last Updated: July 27, 2026

২০২৬ সালে ঢাকা থেকে গাজীপুর রেলপথে যাতায়াতের জন্য বেশ কয়েকটি আন্তঃনগর, কমিউটার এবং লোকাল ট্রেন চলাচল করে। এই রুটে যাত্রীরা প্রতিদিন সকাল ৬:০০টা থেকে রাত ১০:৪৫টা পর্যন্ত ট্রেন সুবিধা নিতে পারেন, যার ফলে কর্মজীবী ​​ও সাধারণ যাত্রীরা সাশ্রয়ী ও আরামদায়ক ভ্রমণ উপভোগ করতে পারেন। ঢাকা (কমলাপুর বা বিমানবন্দর) থেকে গাজীপুরের জয়দেবপুর পৌঁছাতে প্রায় ৫৩ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট সময় লাগে।

যানজটপূর্ণ সড়কের বিকল্প হিসেবে ট্রেন ভ্রমণ ঢাকা ও গাজীপুরের মধ্যে একটি জনপ্রিয় পছন্দ। রেলপথ যাত্রীদের জন্য সময় ও অর্থ উভয়ই বাঁচায়। এই নির্দেশিকায় ২০২৬ সালের সকল আপডেটেড সময়সূচী, টিকিটের মূল্য এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যা আপনার যাত্রাকে আরও সহজ ও আনন্দদায়ক করবে।

ঢাকা টু গাজীপুর ট্রেন রুট এবং স্টেশনসমূহ

ঢাকা থেকে গাজীপুর পর্যন্ত রেলপথে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন রয়েছে। সাধারণত, কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ট্রেন যাত্রা শুরু করে এবং বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনটঙ্গী জংশন হয়ে গাজীপুরের জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশন-এ পৌঁছায়।

জয়দেবপুর স্টেশন গাজীপুর জেলার একটি প্রধান রেলওয়ে হাব। এই রুটে চলাচলকারী ট্রেনগুলো যাত্রাপথে নির্দিষ্ট কিছু স্টেশনে বিরতি দেয়। যেমন:

  • ঢাকা কমলাপুর
  • বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন
  • টঙ্গী জংশন
  • ধীরাশ্রম (কিছু কমিউটার ট্রেনের জন্য)
  • জয়দেবপুর

এই স্টেশনগুলো ঢাকা ও গাজীপুরের যাত্রীদের জন্য প্রধান প্রবেশ ও বহির্গমন পয়েন্ট হিসেবে কাজ করে।

২০২৬ সালের ঢাকা টু গাজীপুর ট্রেনের সময়সূচী

ঢাকা থেকে গাজীপুর রুটে প্রতিদিন অসংখ্য আন্তঃনগর, কমিউটার এবং লোকাল ট্রেন চলাচল করে। ২০২৬ সালের জন্য আপডেটেড সময়সূচী নিচে দেওয়া হলো। যাত্রার আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অথবা Rail Sheba অ্যাপ থেকে সময়সূচী যাচাই করে নেওয়া উত্তম।

আন্তঃনগর ট্রেনের সময়সূচী (ঢাকা থেকে জয়দেবপুর)

আন্তঃনগর ট্রেনগুলো দ্রুত এবং আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য পরিচিত। এই ট্রেনগুলো সাধারণত ঢাকা থেকে সরাসরি জয়দেবপুর পর্যন্ত চলাচল করে।

ট্রেনের নাম ট্রেন নম্বর ছাড়ার সময় (ঢাকা কমলাপুর) পৌঁছানোর সময় (জয়দেবপুর) সাপ্তাহিক বন্ধের দিন
ধূমকেতু এক্সপ্রেস ৭৬৯ সকাল ৬:০০টা সকাল ৬:৫০টা বৃহস্পতিবার
একতা এক্সপ্রেস ৭০৫ সকাল ১০:১৫টা সকাল ১১:০৫টা নেই
জামালপুর এক্সপ্রেস ৭৯৯ সকাল ১০:০০টা সকাল ১০:৫০টা রবিবার
সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ৭৫৩ দুপুর ২:৪০টা দুপুর ৩:৩০টা রবিবার
যমুনা এক্সপ্রেস ৭৪৫ বিকাল ৪:৪৫টা বিকাল ৫:৩৪টা নেই
চিলাহাটি এক্সপ্রেস ৮০৫ বিকাল ৫:০০টা বিকাল ৫:৫১টা শনিবার
ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ৭৪৩ সন্ধ্যা ৬:১৫টা সন্ধ্যা ৭:০৫টা নেই
চিত্রা এক্সপ্রেস ৭৬৪ সন্ধ্যা ৬:৩০টা সন্ধ্যা ৭:৪০টা রবিবার
দ্রুতযান এক্সপ্রেস ৭৫৭ রাত ৮:০০টা রাত ৮:৫৩টা নেই
লালমনি এক্সপ্রেস ৭৫১ রাত ৯:৪৫টা রাত ১০:৩৬টা শুক্রবার
হাওর এক্সপ্রেস ৭৭৮ রাত ১০:১৫টা রাত ১১:০৫টা বুধবার
পদ্মা এক্সপ্রেস ৭৫৯ রাত ১০:৪৫টা রাত ১১:৩৬টা মঙ্গলবার

কমিউটার ট্রেনের সময়সূচী (ঢাকা থেকে জয়দেবপুর)

কমিউটার ট্রেনগুলো মূলত দৈনিক যাত্রীদের (daily commuters) সুবিধার জন্য পরিচালিত হয়। এই ট্রেনগুলো সাধারণত সকালে ঢাকা থেকে গাজীপুর এবং সন্ধ্যায় গাজীপুর থেকে ঢাকা ফিরে আসে।

ট্রেনের নাম ছাড়ার সময় (ঢাকা কমলাপুর) পৌঁছানোর সময় (জয়দেবপুর) সাপ্তাহিক বন্ধের দিন
তুরাগ কমিউটার-১ ভোর ৫:০০টা সকাল ৬:০০টা শুক্রবার
জয়দেবপুর কমিউটার-১ ভোর ৫:২৫টা সকাল ৬:২৫টা শনিবার
জয়দেবপুর কমিউটার-৩ বেলা ১১:০০টা দুপুর ১২:০০টা শনিবার
তুরাগ কমিউটার-৩ বিকাল ৫:২০টা সন্ধ্যা ৬:৪০টা শুক্রবার
টাঙ্গাইল কমিউটার সন্ধ্যা ৬:০০টা সন্ধ্যা ৬:৫০টা শুক্রবার

এছাড়াও গাজীপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কমিউটার ট্রেন চলাচল করে, যা অফিসগামী যাত্রীদের জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক। যেমন, তুরাগ কমিউটার-২ সকাল ৬:৩০টায় জয়দেবপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

ঢাকা টু গাজীপুর ট্রেন টিকেট মূল্য ২০২৬

ঢাকা থেকে গাজীপুর রুটে ট্রেনের টিকিট মূল্য আসন বিভাগ এবং ট্রেনের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হয়। এই রুটে যাত্রীদের জন্য বিভিন্ন ধরণের আসনের ব্যবস্থা রয়েছে, যা তাদের বাজেট এবং আরামের চাহিদা পূরণ করে।

২০২৬ সালের জন্য ঢাকা টু জয়দেবপুর (গাজীপুর) রুটের আনুমানিক টিকিটের মূল্য তালিকা নিচে দেওয়া হলো। এই মূল্য বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক নির্ধারিত এবং পরিবর্তনশীল হতে পারে।

আসন বিভাগ টিকিটের মূল্য (টাকা)
শোভন ৪৫-৫০ টাকা
শোভন চেয়ার ৫০-৭০ টাকা
প্রথম আসন (First Seat) ৯0-১০৪ টাকা
স্নিগ্ধা (AC Chair) ১১৫-১২৫ টাকা
এসি সিট (AC Seat) ১২৭-১৫০ টাকা
এসি বার্থ (AC Berth) ১৫০-১৮০ টাকা

অনলাইনে টিকিট কিনলে সাধারণত সার্ভিস চার্জ হিসেবে অতিরিক্ত ২০ টাকা যুক্ত হতে পারে। বাংলাদেশ রেলওয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ড. রেহনুমা বেগম জানান, “রেল ভ্রমণ দেশের অন্যতম সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা। আমরা যাত্রীদের সুবিধার জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা যোগ করার পাশাপাশি টিকিটের মূল্য সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার চেষ্টা করি।”

ট্রেন টিকেট কেনার নিয়মাবলী

ঢাকা টু গাজীপুর রুটের ট্রেনের টিকিট কেনা এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ। যাত্রীরা অনলাইন এবং অফলাইন উভয় পদ্ধতিতেই টিকিট সংগ্রহ করতে পারেন।

অনলাইনে টিকেট কেনার পদ্ধতি

স্মার্টফোন বা কম্পিউটারের মাধ্যমে ঘরে বসেই টিকিট কেনা যায়, যা সময় ও শ্রম বাঁচায়।

  • বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট বা Rail Sheba অ্যাপ: প্রথমে eticket.railway.gov.bd ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন অথবা ‘Rail Sheba’ অ্যাপটি ডাউনলোড করুন।
  • অ্যাকাউন্ট রেজিস্ট্রেশন: আপনার মোবাইল নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর এবং জন্ম তারিখ ব্যবহার করে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। একটি ওটিপি (OTP) দিয়ে আপনার NID যাচাই করতে হবে।
  • ট্রেন ও আসন নির্বাচন: লগইন করার পর, আপনার যাত্রার তারিখ, প্রারম্ভিক স্টেশন (ঢাকা/কমলাপুর) এবং গন্তব্য স্টেশন (জয়দেবপুর) নির্বাচন করুন। উপলব্ধ ট্রেনের তালিকা থেকে আপনার পছন্দের ট্রেন এবং আসন (সিট) নির্বাচন করুন।
  • পেমেন্ট: বিকাশ, নগদ, রকেট অথবা যেকোনো ব্যাংক কার্ডের মাধ্যমে টিকিটের মূল্য পরিশোধ করুন।
  • ই-টিকেট ডাউনলোড ও প্রিন্ট: পেমেন্ট সফল হলে একটি ই-টিকেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডাউনলোড হবে এবং আপনার ই-মেইলে পাঠানো হবে। এই ই-টিকেট প্রিন্ট করে অথবা মোবাইলে সংরক্ষণ করে যাত্রা করতে পারবেন। অনেক সময় যাত্রা শুরুর আগে সংশ্লিষ্ট স্টেশন থেকে ই-টিকেট দেখিয়ে প্রিন্টেড টিকিট সংগ্রহ করতে হয়।

স্টেশন কাউন্টার থেকে টিকেট কেনার পদ্ধতি (অফলাইন)

যারা অনলাইনে টিকিট কিনতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না, তারা সরাসরি স্টেশন কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করতে পারেন।

  • কাউন্টারে যান: ঢাকা কমলাপুর, বিমানবন্দর বা টঙ্গী জংশন স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে যান।
  • যাত্রার তথ্য দিন: টিকিট বিক্রেতাকে আপনার যাত্রার তারিখ, গন্তব্য এবং আসনের শ্রেণি সম্পর্কে জানান।
  • অগ্রিম টিকেট: আন্তঃনগর ট্রেনের ক্ষেত্রে, যাত্রার ২-৩ দিন আগে টিকিট কেটে রাখা নিরাপদ, বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে।

যাত্রীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ টিপস

ঢাকা টু গাজীপুর ট্রেন যাত্রাকে আরও মসৃণ এবং আনন্দদায়ক করতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মেনে চলা উচিত:

  • সময়মতো স্টেশনে পৌঁছান: ট্রেন ছাড়ার কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছানো উচিত। এতে টিকিট সংগ্রহ বা অন্য কোনো আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে সুবিধা হয়।
  • সঠিক সময়সূচী যাচাই করুন: যাত্রার আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অথবা Rail Sheba অ্যাপ থেকে সর্বশেষ সময়সূচী এবং ট্রেন ছাড়ার সময় নিশ্চিত করুন।
  • জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) সাথে রাখুন: অনলাইনে কেনা টিকিটের ক্ষেত্রে NID কার্ড যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজন হতে পারে।
  • ব্যাগপত্র সীমিত রাখুন: অপ্রয়োজনীয় লাগেজ এড়িয়ে চলুন। সীমিত ও সহজে বহনযোগ্য লাগেজ ভ্রমণকে আরামদায়ক করে তোলে। বাংলাদেশ রেলওয়ের নিয়ম অনুযায়ী, একজন যাত্রী সাধারণত ৩০ কেজি পর্যন্ত লাগেজ বহন করতে পারে।
  • নিরাপত্তা: আপনার ব্যক্তিগত জিনিসপত্র এবং মূল্যবান সামগ্রীর প্রতি সতর্ক থাকুন। অপরিচিতদের দেওয়া খাবার বা পানীয় গ্রহণ করবেন না।
  • জরুরী যোগাযোগ: রেলওয়ে পুলিশের হেল্পলাইন নম্বর অথবা টিটিই-এর সাথে যোগাযোগের জন্য প্রস্তুত থাকুন।

পরিবহন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মফিজুর রহমান বলেন, “ট্রেন ভ্রমণ বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সময় বাঁচানোর একটি চমৎকার উপায়, বিশেষ করে ঢাকা-গাজীপুর রুটের মতো ব্যস্ত করিডোরে। যাত্রীদের উচিত ভ্রমণের আগে প্রয়োজনীয় সকল তথ্য যাচাই করে নেওয়া এবং নিরাপত্তা বিধিনিষেধ মেনে চলা।”

বিকল্প পরিবহন ব্যবস্থা

ট্রেন ছাড়াও ঢাকা থেকে গাজীপুর যাতায়াতের জন্য বেশ কয়েকটি বিকল্প পরিবহন ব্যবস্থা রয়েছে। এগুলি প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা যেতে পারে, বিশেষ করে যদি ট্রেনের টিকিট না পাওয়া যায় বা জরুরি প্রয়োজন হয়।

  • বাস: ঢাকা থেকে গাজীপুরের মধ্যে অসংখ্য এসি এবং নন-এসি বাস সার্ভিস চলাচল করে। গুলিস্তান, মহাখালী, এবং সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে গাজীপুরের বিভিন্ন রুটে বাস পাওয়া যায়। বাসে সাধারণত ১ ঘণ্টা ২০ মিনিটের মতো সময় লাগে।
  • প্রাইভেট কার/ট্যাক্সি: ব্যক্তিগত গাড়ি বা ট্যাক্সি ভাড়া করে দ্রুত এবং আরামদায়কভাবে যাতায়াত করা যায়। এটি বিশেষ করে পরিবার বা দলগত ভ্রমণের জন্য সুবিধাজনক। ঢাকা থেকে গাজীপুরের দূরত্ব প্রায় ৩৩ কিলোমিটার
  • রাইড-শেয়ারিং সার্ভিস: পাঠাও, উবার-এর মতো রাইড-শেয়ারিং অ্যাপ ব্যবহার করেও ঢাকা থেকে গাজীপুর যাওয়া যায়। এটি বিশেষ করে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য সুবিধাজনক।

বাসের ভাড়া সাধারণত ৮০-১৪০ টাকা (নন-এসি) এবং ১২০-২৫০ টাকা (এসি) হতে পারে, যা সেবার মান ও দূরত্বের ওপর নির্ভর করে।

FAQ

ঢাকা টু গাজীপুর ট্রেনে যেতে কত সময় লাগে?

ঢাকা থেকে গাজীপুর ট্রেনে যেতে সাধারণত ৫৩ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট সময় লাগে। এটি ট্রেনের ধরন (আন্তঃনগর বনাম কমিউটার) এবং স্টপেজের উপর নির্ভর করে।

ঢাকা টু গাজীপুর ট্রেনের টিকিটের সর্বনিম্ন মূল্য কত?

ঢাকা টু গাজীপুর ট্রেনের সর্বনিম্ন টিকিটের মূল্য ৪৫ টাকা (শোভন শ্রেণি)। আসন বিভাগ অনুযায়ী এই মূল্য পরিবর্তিত হয়।

কিভাবে অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কেনা যায়?

অনলাইনে টিকিট কেনার জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকেটিং ওয়েবসাইট (eticket.railway.gov.bd) অথবা Rail Sheba অ্যাপ ব্যবহার করতে হবে। প্রথমে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে, ট্রেনের সময়সূচী দেখে পছন্দের আসন নির্বাচন করে এবং মোবাইল ব্যাংকিং বা কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট সম্পন্ন করতে হয়।

গাজীপুরের প্রধান রেলওয়ে স্টেশন কোনটি?

গাজীপুর জেলার প্রধান রেলওয়ে স্টেশন হলো জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশন। এটি ঢাকা থেকে আগত বেশিরভাগ ট্রেনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিরতিস্থল।

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কি ঢাকা টু গাজীপুর ট্রেন চলে?

হ্যাঁ, সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও ঢাকা টু গাজীপুর রুটে ট্রেন চলাচল করে। তবে, কিছু আন্তঃনগর এবং কমিউটার ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন রয়েছে, যা সময়সূচীতে উল্লেখ করা থাকে। যাত্রার আগে অবশ্যই এটি যাচাই করে নেওয়া উচিত।

উপসংহার

ঢাকা থেকে গাজীপুর ট্রেন ভ্রমণ সাশ্রয়ী, আরামদায়ক এবং সময়োপযোগী একটি পরিবহন ব্যবস্থা। ২০২৬ সালের হালনাগাদ সময়সূচী ও টিকিটের মূল্য সম্পর্কে জেনে আপনার যাত্রা আরও সহজ হবে। বাংলাদেশ রেলওয়ে যাত্রীদের সুবিধার জন্য নিয়মিত নতুন পরিষেবা যুক্ত করছে এবং বিদ্যমান পরিষেবাগুলোর মান উন্নত করছে। আপনার পরবর্তী ঢাকা-গাজীপুর যাত্রা হোক সুখময় ও নিরাপদ

Hi, I’m Shohag, creator of bdtrains.xyz. I make Bangladeshi train schedules and fares easy to find and understand by verifying official sources and updating information regularly. I also share practical travel tips from my own experience, so you get clear, accurate, and reliable train info every time.

Sharing Is Caring:

Leave a Comment