সিলেট থেকে ঢাকা ট্রেন: সম্পূর্ণ সময়সূচী, ভাড়া ও টিকিট কাটার সহজ গাইড

Last Updated: May 27, 2026

সিলেট থেকে ঢাকা ভ্রমণের জন্য ট্রেন একটি জনপ্রিয় এবং আরামদায়ক মাধ্যম। এই রুটে চলাচলকারী প্রধান চারটি আন্তঃনগর ট্রেন হলো পারাবত এক্সপ্রেস, জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস, উপবন এক্সপ্রেস, এবং কালনী এক্সপ্রেস। প্রতিটি ট্রেনের নির্দিষ্ট সময়সূচী, সাপ্তাহিক ছুটির দিন, এবং বিভিন্ন শ্রেণির ভাড়া রয়েছে, যা যাত্রীদের জন্য উপযুক্ত বিকল্প বেছে নিতে সাহায্য করে।

ট্রেন ভ্রমণ বাংলাদেশের অন্যতম আকর্ষণীয় অভিজ্ঞতা। সবুজ প্রকৃতি দেখতে দেখতে গন্তব্যে পৌঁছানো এক অসাধারণ অনুভূতি দেয়। আপনি যদি সিলেট থেকে ঢাকা যেতে চান, তাহলে সঠিক ট্রেন বেছে নেওয়া এবং টিকিট কাটার নিয়ম জানা জরুরি। এই গাইড আপনাকে সিলেট থেকে ঢাকা ট্রেনের সব তথ্য সহজভাবে জানাবে, যেন আপনার যাত্রা মসৃণ হয়।

সিলেট থেকে ঢাকা ট্রেন সময়সূচী

সিলেট থেকে ঢাকা রুটে প্রতিদিন চারটি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে। এই ট্রেনগুলো যাত্রীদের দ্রুত এবং আরামদায়ক ভ্রমণের সুযোগ দেয়। প্রতিটি ট্রেনের ছাড়ার সময়, ঢাকায় পৌঁছানোর সময়, এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিন জেনে রাখা দরকার। এতে আপনি আপনার ভ্রমণের পরিকল্পনা ভালোভাবে করতে পারবেন।

ক্রমিক নং ট্রেনের নাম ট্রেন নম্বর সিলেট থেকে ছাড়ার সময় ঢাকা পৌঁছানোর সময় সাপ্তাহিক ছুটির দিন
০১ পারাবত এক্সপ্রেস ৭১০ বিকাল ৪:০০ টা রাত ১০:৪০ মিনিট সোমবার
০২ জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস ৭১৮ দুপুর ১২:০০ টা সন্ধ্যা ৭:১৫ মিনিট মঙ্গলবার
০৩ উপবন এক্সপ্রেস ৭৪০ রাত ১১:৩০ মিনিট সকাল ৫:৪০ মিনিট সোমবার
০৪ কালনী এক্সপ্রেস ৭৭৪ সকাল ৬:১৫ টা দুপুর ১২:৫৫ মিনিট শুক্রবার

এছাড়াও, এই রুটে মেইল এক্সপ্রেস ট্রেন সুরমা মেইল (১০) চলাচল করে, যা রাত ৮:৪০ মিনিটে সিলেট থেকে ছেড়ে পরদিন সকাল ৯:৪০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছায়। এর কোনো সাপ্তাহিক ছুটির দিন নেই।

সিলেট থেকে ঢাকা ট্রেন ভাড়া

সিলেট থেকে ঢাকা ট্রেনের ভাড়া বিভিন্ন আসনের শ্রেণি অনুযায়ী ভিন্ন হয়। বাংলাদেশ রেলওয়ে বিভিন্ন শ্রেণির আসন যেমন শোভন, শোভন চেয়ার, ফার্স্ট সিট, স্নিগ্ধা, এসি সিট এবং এসি বার্থের ব্যবস্থা রাখে। আপনার বাজেট ও আরামের চাহিদা অনুযায়ী আপনি টিকিট কিনতে পারেন।

সিলেট থেকে ঢাকা রুটে ট্রেনের ভাড়া আপনার নির্বাচিত আসন শ্রেণির উপর নির্ভর করে। বিভিন্ন শ্রেণির আসন এবং তাদের ভাড়া নিচে একটি সহজবোধ্য সারণিতে দেওয়া হলো।

আসন বিন্যাস ভাড়ার পরিমাণ (টাকা)
শোভন ২৬৫
শোভন চেয়ার ৩২৫
প্রথম সিট ৪২৫
প্রথম বার্থ ৬৪০
স্নিগ্ধা (এসি চেয়ার) ৭১৯
এসি সিট ৮৬৩
এসি বার্থ ১০৯৯

ভাড়া তালিকা বাংলাদেশ রেলওয়ে ওয়েবসাইটের তথ্য অনুসারে দেওয়া হলো। এটি সময় সময় পরিবর্তিত হতে পারে।

সিলেট থেকে ঢাকা ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম

ট্রেনের টিকিট কাটা এখন অনেক সহজ। আপনি অনলাইনে অথবা স্টেশনের কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন। অনলাইনে টিকিট কাটার সুবিধা আপনাকে লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা থেকে মুক্তি দেবে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে দুটি প্রধান পদ্ধতিতে টিকিট কাটার সুযোগ দেয়: অনলাইন ই-টিকেটিং সিস্টেম এবং স্টেশন কাউন্টার। প্রতিটি পদ্ধতির নিজস্ব সুবিধা আছে।

অনলাইনে টিকিট কাটার পদ্ধতি

ঘরে বসেই অনলাইনে টিকিট কাটা এখন খুবই জনপ্রিয়। বাংলাদেশ রেলওয়ের ই-টিকেটিং ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd অথবা Rail Sheba অ্যাপ ব্যবহার করে সহজেই টিকিট কিনতে পারবেন।

অনলাইনে টিকিট কাটতে, আপনার একটি সক্রিয় মোবাইল নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর এবং একটি ইমেইল ঠিকানা দরকার হবে। এই প্রক্রিয়াটি আপনার সময় বাঁচায় এবং ভ্রমণের পরিকল্পনাকে আরও নমনীয় করে তোলে।

ধাপ ১: রেজিস্ট্রেশন

প্রথমবার টিকিট কাটতে হলে eticket.railway.gov.bd পোর্টালে অথবা Rail Sheba অ্যাপে একটি অ্যাকাউন্ট খুলুন। রেজিস্ট্রেশন একবারই করতে হয়।

  • ওয়েবসাইট বা অ্যাপে “Register” বা “নিবন্ধন” বাটনে ক্লিক করুন।
  • আপনার সক্রিয় মোবাইল নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর এবং জন্মতারিখ দিন।
  • আপনার মোবাইলে একটি OTP (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড) আসবে। এটি দিয়ে যাচাই করুন।
  • একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড সেট করুন এবং নিজের ঠিকানা/পোস্টাল কোড দিন।
  • সব তথ্য সঠিক থাকলে রেজিস্ট্রেশন সফলভাবে সম্পন্ন হবে।

গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ: আপনার NID-এর নাম ও জন্মতারিখ অবশ্যই সঠিক হতে হবে। সিস্টেম জাতীয় ডেটাবেজের সাথে তথ্য মিলিয়ে দেখে, তাই কোনো গরমিল হলে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হবে না।

ধাপ ২: টিকিট বুকিং

রেজিস্ট্রেশন সফল হলে বা আপনার যদি আগে থেকেই অ্যাকাউন্ট থাকে, তাহলে লগইন করুন।

  • লগইন করার পর, আপনার কাঙ্ক্ষিত ভ্রমণ তারিখ, প্রারম্ভিক স্টেশন (সিলেট), গন্তব্য স্টেশন (ঢাকা) এবং শ্রেণি পূরণ করুন।
  • “Find Ticket” বাটন ক্লিক করুন।
  • পরের পৃষ্ঠায় ট্রেনের নাম, সিট অ্যাভেলেবিলিটি (আসন আছে কি নেই) এবং ট্রেন ছাড়ার সময় দেখতে পাবেন।
  • আপনার পছন্দের ট্রেন অনুযায়ী “View Seats” বাটনে ক্লিক করুন।
  • খালি আসন থেকে আপনার পছন্দের আসনগুলো নির্বাচন করুন এবং “Continue Purchase” এ ক্লিক করুন।

ধাপ ৩: পেমেন্ট

টিকিট বুকিং নিশ্চিত করতে পেমেন্ট করুন।

  • আপনি বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায়, অথবা Visa, Mastercard, DBBL Nexus কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন।
  • পেমেন্ট সফল হলে আপনার ই-টিকিট স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডাউনলোড হবে।
  • একই সাথে আপনার ই-মেইলে টিকিটের একটি কপি পাঠানো হবে।

পরামর্শ: ই-মেইল থেকে টিকিট প্রিন্ট করে এবং আপনার ফটো আইডি সাথে নিয়ে সংশ্লিষ্ট সোর্স স্টেশন থেকে যাত্রা শুরুর আগে ছাপানো টিকিট সংগ্রহ করুন।

স্টেশন কাউন্টার থেকে টিকিট কাটার পদ্ধতি

যারা অনলাইনে টিকিট কাটতে স্বচ্ছন্দ নন, তারা সরাসরি সিলেট রেলওয়ে স্টেশন বা অন্য যেকোনো রেলওয়ে স্টেশনের কাউন্টার থেকে টিকিট কিনতে পারেন।

কাউন্টারে টিকিট কেনার সময় আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) দেখানো বাধ্যতামূলক। টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট কেনার ক্ষেত্রে যাত্রার ১০ দিন আগে থেকে টিকিট পাওয়া যায়।

বিশেষ ছাড় ও সুবিধা

বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রবীণ (৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী) এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ভাড়ায় বিশেষ ছাড় দেয়। প্রবীণদের জন্য ২৫ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পাওয়া যায়।

এই ছাড় পেতে রেলসেবা অ্যাপে নিবন্ধিত হতে হবে। প্রবীণদের জন্য ছাড় অনলাইনে এবং কাউন্টার উভয় মাধ্যমেই পাওয়া যায়। তবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ছাড় আপাতত শুধু স্টেশন কাউন্টার থেকে টিকিট কাটার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

সিলেট থেকে ঢাকা ট্রেন ভ্রমণের গুরুত্বপূর্ণ টিপস

একটি মসৃণ এবং আনন্দময় ট্রেন ভ্রমণের জন্য কিছু বিষয় জেনে রাখা দরকার। এই টিপসগুলো আপনার যাত্রাকে আরও সহজ করবে এবং অপ্রত্যাশিত ঝামেলা এড়াতে সাহায্য করবে।

সময়মতো স্টেশনে পৌঁছান

ট্রেন ছাড়ার কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছানো বুদ্ধিমানের কাজ। এটি আপনাকে আপনার আসন খুঁজে নিতে, মালপত্র রাখতে এবং কোনো শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারতে যথেষ্ট সময় দেবে। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের বৃহত্তম এবং ব্যস্ততম স্টেশনগুলির মধ্যে একটি, তাই সেখানে সময়মতো পৌঁছানো জরুরি।

টিকিট ও আইডি কার্ড সাথে রাখুন

আপনার টিকিট এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা অন্যান্য বৈধ আইডি কার্ড হাতের কাছে রাখুন। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ যেকোনো সময় আপনার টিকিট ও পরিচয়পত্র দেখতে চাইতে পারে। অনলাইনে কেনা টিকিট প্রিন্ট করে সাথে রাখতে পারেন অথবা মোবাইলে পিডিএফ কপি সংরক্ষণ করতে পারেন।

মালপত্র সাবধানে রাখুন

আপনার মালপত্র নিরাপদ রাখুন। প্রতিটি কোচে মালপত্র রাখার নির্দিষ্ট স্থান থাকে। মূল্যবান জিনিসপত্র সবসময় আপনার কাছে রাখুন। অতিরিক্ত মালপত্র বহন থেকে বিরত থাকুন, কারণ এটি আপনার জন্য ঝামেলা তৈরি করতে পারে।

আসন নির্বাচন

আপনার যদি দিনের বেলায় ভ্রমণ করার সুযোগ থাকে, তাহলে শোভন চেয়ার বা স্নিগ্ধা শ্রেণির টিকিট কাটা ভালো। এই আসনগুলো তুলনামূলকভাবে আরামদায়ক। রাতের ভ্রমণে এসি বার্থ বা ফার্স্ট ক্লাস বার্থ আপনাকে ভালো ঘুমের সুযোগ দেবে।

ভ্রমণ গাইড (VromonGuide) অনুসারে, দূরপাল্লার যাত্রায় শোভন শ্রেণির টিকিট এড়িয়ে চলা ভালো, কারণ এর আসনগুলো কম আরামদায়ক এবং ভিড় বেশি হতে পারে।

ট্রেন ট্র্যাক করুন

যাত্রার আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা Rail Sheba অ্যাপ ব্যবহার করে আপনার ট্রেনের বর্তমান অবস্থান জেনে নিতে পারেন। এটি আপনাকে ট্রেনের সম্ভাব্য বিলম্ব সম্পর্কে ধারণা দেবে।

স্টেশন সম্পর্কে জানুন

সিলেট রেলওয়ে স্টেশন সিলেট শহরের দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় অবস্থিত। এটি সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক এবং সিলেট বাইপাস সড়কের মধ্যখানে পড়েছে, তাই যাতায়াত সহজ। এটি কদমতলি বাস টার্মিনালের পাশেই অবস্থিত।

অন্যদিকে, কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন (দাপ্তরিক নাম ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন) ঢাকার কেন্দ্রে অবস্থিত। এটি দেশের বৃহত্তম এবং ব্যস্ততম স্টেশন।

স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা

ট্রেন ভ্রমণে আপনার ব্যক্তিগত সুরক্ষার দিকে মনোযোগ দিন। অপরিচিতদের কাছ থেকে খাবার বা পানীয় গ্রহণ করবেন না। জরুরি প্রয়োজনে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সাহায্য নিন। ট্রেনের মধ্যে টয়লেট ও পানির সুব্যবস্থা থাকে।

সিলেট থেকে ঢাকা রুটের বিশেষত্ব

সিলেট থেকে ঢাকা ট্রেন রুটটি বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রেললাইন। এই পথে ভ্রমণের সময় আপনি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক ভিন্ন রূপ উপভোগ করতে পারবেন।

সবুজ প্রকৃতির মাঝে যাত্রা

সিলেট অঞ্চল তার চা বাগান এবং সবুজ পাহাড়ের জন্য বিখ্যাত। ট্রেন যখন সিলেটের ভেতর দিয়ে যায়, তখন যাত্রীরা চোখ জুড়ানো সবুজ দৃশ্য দেখতে পান। এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ট্রেন যাত্রার অন্যতম আকর্ষণ।

আরামদায়ক ভ্রমণ

ট্রেন ভ্রমণ সড়কপথের তুলনায় বেশি আরামদায়ক। আপনি সিটে বসে প্রকৃতির দৃশ্য দেখতে পারবেন, বই পড়তে পারবেন, অথবা সহযাত্রীদের সাথে কথা বলতে পারবেন। ট্রেনের ভেতরে হাঁটার সুযোগ থাকায় দীর্ঘ যাত্রায় ক্লান্তি কম হয়।

নিরাপত্তা

বাংলাদেশ রেলওয়ে ভ্রমণের জন্য একটি নিরাপদ মাধ্যম। রেলওয়ে স্টেশন এবং ট্রেনের ভেতরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে।

বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, “আমাদের প্রধান লক্ষ্য যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের একটি আরামদায়ক ভ্রমণ অভিজ্ঞতা প্রদান করা।”

জনপ্রিয়তা

সিলেট থেকে ঢাকা রুটে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে। ব্যবসা, শিক্ষা, চিকিৎসা এবং পর্যটনের জন্য এই রুটটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ঈদের মতো উৎসবের সময় এই রুটে ট্রেনের টিকিট চাহিদা অনেক বেড়ে যায়।

উপসংহার

সিলেট থেকে ঢাকা ট্রেন যাত্রা একটি আরামদায়ক, নিরাপদ এবং স্মৃতিময় অভিজ্ঞতা হতে পারে। এই নিবন্ধে দেওয়া সময়সূচী, ভাড়া এবং টিকিট কাটার নিয়মগুলো আপনাকে আপনার ভ্রমণের পরিকল্পনা সাজাতে সাহায্য করবে। সঠিক প্রস্তুতি নিয়ে যাত্রা করলে আপনার ভ্রমণ আরও আনন্দদায়ক হবে। বাংলাদেশ রেলওয়ের সেবা এবং সুযোগ-সুবিধাগুলো আপনার যাত্রা সহজ করে তুলবে। আপনার ভ্রমণ শুভ হোক।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী

সিলেট থেকে ঢাকা যেতে ট্রেনে কত সময় লাগে?

সিলেট থেকে ঢাকা ট্রেনে যেতে সাধারণত ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা সময় লাগে। ট্রেনের ধরন এবং পথে বিরতির উপর নির্ভর করে এই সময় কিছুটা কম বা বেশি হতে পারে।

অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কত দিন আগে কাটা যায়?

অনলাইনে ট্রেনের টিকিট যাত্রার সর্বোচ্চ ১০ দিন আগে কাটা যায়। ঈদের মতো বিশেষ সময়ে অগ্রিম টিকিট বিক্রির জন্য আলাদা সময়সূচী ঘোষণা করা হয়।

রেল সেবা অ্যাপ কিভাবে ব্যবহার করব?

Rail Sheba অ্যাপ বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল অ্যাপ। অ্যাপটি ডাউনলোড করে আপনার মোবাইল নম্বর ও জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন। এরপর লগইন করে সহজেই ট্রেনের টিকিট কিনতে পারবেন।

কোন ট্রেনটি সিলেট থেকে ঢাকা রুটে সবচেয়ে দ্রুতগামী?

সিলেট থেকে ঢাকা রুটে চলাচলকারী আন্তঃনগর ট্রেনগুলো প্রায় একই ধরনের সময় নেয়। কালনী এক্সপ্রেস সকালের দিকে যাত্রা করে এবং দুপুরের মধ্যে ঢাকায় পৌঁছায়, যা অনেক যাত্রীর কাছে সুবিধাজনক।

ট্রেনের টিকিট বাতিল করার নিয়ম কি?

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টিকিট বাতিল করলে বাংলাদেশ রেলওয়ের নীতিমালা অনুযায়ী কিছু চার্জ কেটে বাকি টাকা ফেরত দেওয়া হয়। অনলাইন টিকিট রিফান্ডের জন্য ওয়েবসাইটে বা অ্যাপে নির্দিষ্ট অপশন থাকে।

সিলেট থেকে ঢাকা রুটে কি কোনো মেইল ট্রেন আছে?

হ্যাঁ, সিলেট থেকে ঢাকা রুটে সুরমা মেইল (১০) নামের একটি মেইল ট্রেন চলাচল করে। এটি রাত ৮:৪০ মিনিটে সিলেট থেকে ছেড়ে পরদিন সকাল ৯:৪০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছায়।

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন কোথায় অবস্থিত?

কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন (দাপ্তরিক নাম ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন) বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রে, কমলাপুরে অবস্থিত। এটি দেশের বৃহত্তম এবং পরিবহন খাতে ব্যস্ততম রেলওয়ে স্টেশন।


Hi, I’m Shohag, creator of bdtrains.xyz. I make Bangladeshi train schedules and fares easy to find and understand by verifying official sources and updating information regularly. I also share practical travel tips from my own experience, so you get clear, accurate, and reliable train info every time.

Sharing Is Caring:

Leave a Comment